ওর নম্বরটা ডিলিট করিনি, শুধু নামটা বদলে “পুরোনো গল্প” রেখেছি।
বাংলা ক্যাপশন
ব্রেকআপ ক্যাপশন
সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরের দিনগুলো অদ্ভুত। নম্বর ডিলিট করা যায়, অভ্যেস যায় না। এই ব্রেকআপ ক্যাপশনগুলো সেই ‘পরের’ সময়টার কথা বলে।
সেরা ব্রেকআপ ক্যাপশন
৪৫টিআনফলো থেকে মুভ অন, সব মেজাজের ক্যাপশন
ব্লক করিনি। নোটিফিকেশনটা এমন জায়গায় রেখেছি যেখানে আমার চোখ যায় না।
কীভাবে ভুলে যাবেন, এই ভিডিও দেখতে দেখতে ইউটিউব আমাকে ওর পছন্দের চ্যানেল রেকমেন্ড করল।
প্রথম সপ্তাহে কেঁদেছি আধা বালতি, খেয়েছি এক হাঁড়ি খিচুড়ি। হিসাব সমান।
ছবি ডিলিট করতে গিয়ে দেখি, ওর চেয়ে আমার হাসিটাই বেশি ভালো লাগছে। তাই ওকে ক্রপ করে রাখলাম।
ও চলে গেছে, পাড়ার টং দোকানটা যায়নি। দুধ চা আর আমি দুজনেই ঠিক আছি।
সম্পর্ক শেষ হয়েছে বলে ভালোবাসা মিথ্যে ছিল না। সময়টা ভুল ছিল।
আনফলো করাটা রাগ নয়। নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করা।
ওকে ছাড়া প্রথমবার কাশবন দেখলাম। কাশফুল আগের মতোই সুন্দর, আমারই চোখে একটু জল।
পুরোনো চ্যাট স্ক্রল করে হাসলাম। এত লম্বা লম্বা কথা, এখন এক লাইনও আসে না।
আজকাল “ভালো আছি” বললে অর্ধেকটা সত্যি হয়। এই অগ্রগতিটা আমি উদযাপন করছি।
যে চলে গেছে তার জন্য ঘড়ি থামিয়ে রাখিনি। বাকি জীবনের ট্রেন ছাড়ছে।
ছাদে সন্ধ্যায় বসে বুঝলাম, একা বসা আর একাকী বসা আলাদা জিনিস। আজ প্রথমটা।
রেডিওতে ওর পছন্দের গানটা বাজল। চ্যানেল বদলালাম না, ভলিউম কমালাম।
“আমরা বন্ধু থাকি” শুনে বুঝেছিলাম, ওই বাক্যটা আসলে বিদায়ের ভদ্র নাম।
ছয় বছরের অভ্যেস ছয় দিনে ছাড়া যায় না। আজ সকালে অভ্যেসে ওকে গুড মর্নিং লিখতে গিয়ে থেমে গেলাম।
জামাটা ওর দেওয়া, পরব কি না ভাবতে ভাবতে রংটাই আমার পছন্দ হয়ে গেল। পরে নিলাম।
ভাঙা সম্পর্ক থেকে একটা জিনিস শিখেছি: যার জন্য নিজেকে ছোট করতে হয়, সে আমার মাপের না।
রাত তিনটায় ওর প্রোফাইলে গিয়েছিলাম। সকালে নিজের সঙ্গে নিজের একটা সিরিয়াস আলাপ হয়েছে।
আমার স্টোরির সিন লিস্ট থেকে একটা নাম গায়েব। ঠিকই আছে, আমিই হাইড করেছি।
সুন্দর শেষ বলে কিছু হয় না। শান্ত শেষ হয়। আমরা শান্তভাবেই শেষ হলাম।
পুরো একটা দিন গেল, ওর নাম মনে আসেনি। রাতে সেটা মনে পড়ল, তাই রেকর্ডও ভাঙল।
ও বলল, তুমি ভালো থেকো। আমি ঠিক করেছি, এই একটা অনুরোধ অন্তত রাখব।
মায়ের হাতের ভাত খেয়ে বুঝলাম, প্রেম ফুরোলেও সবাই ফুরোয় না।
আগে ওর অপেক্ষায় ফোন হাতে বসে থাকতাম। এখন ফোন রেখে জানালার বাইরে তাকাই, অনেক কিছু চোখে পড়ে।
পুরোনো সম্পর্কের ধুলো ঝাড়তে গিয়ে দেখি, ঘরটা তো আমারই। জায়গা অনেক, ঝাড়ু চলছে।
একজন গেছে, আর আমার ঘুম ফিরেছে। হিসাবটা মন্দ না।
ব্রেকআপের দিন বৃষ্টি হয়নি, রোদ ছিল। জীবন আমাকে সিনেমার মতো হওয়ার সুযোগটুকুও দিল না।
আজ ওর জন্মদিন। মেসেজ লিখলাম, মুছলাম। ভদ্রতা আর অভিমানের মাঝখানে আজ অভিমান জিতল।
দুজনের জন্য বানানো প্ল্যানে আমি এখন একা সই করছি। আশ্চর্য, কাজ হচ্ছে।
যা হয়ে গেছে তাকে সুন্দর করে মনে রাখতে শিখছি। রাগ ধরে রাখতে অনেক জায়গা লাগে।
ওকে আর কোনো প্রশ্ন নেই। কেন, কবে, কীভাবে, প্রশ্নগুলো এবার নিজেকে করছি। উত্তর ভালোই আসছে।
কাউকে ভুলতে গিয়ে নিজেকে নতুন করে চিনছি। পরিচয়টা ভালোই হচ্ছে।
ভালোবাসা হারিয়েছি, আত্মসম্মান হারাইনি। হিসাবে এটুকু লাভ।
রিকশায় ওর বাসার গলিটা পেরোলাম। এবার মাথা ঘোরালাম না। ছোট জয়, কিন্তু আমার।
এখন কেউ রাত জেগে আমার অপেক্ষা করে না, আমিও কারও অপেক্ষায় জাগি না। ঘুমটা তাই গভীর।
বন্ধু বলল, ওকে ভুলে যা। আমি বললাম, ভুলব না। শুধু আর কাছে টানব না।
আমাদের গল্পটা শেষ। মুছব না, আবার পড়বও না। তাকে তুলে রাখলাম।
ছেড়ে দেওয়া দুর্বলতা না। শক্ত করে ধরে রাখা জিনিস ছাড়তে সাহস লাগে।
ক্যাফেতে ওর পছন্দের টেবিলটা খালি ছিল। আজ সেখানে বসে কফি খেলাম, কফিটা এবার ভালোই লাগল।
প্রেম তো গেছেই, সঙ্গে ওর বন্ধুদের গ্রুপটাও গেল। এক ব্রেকআপে দুই ক্ষতি, শোক করার সময়ও পেলাম না।
শহরের এক গলিতে এখনো ওর পছন্দের ফুচকার দোকান। গলিটা এড়িয়ে চলি, ফুচকা ছাড়িনি।
একসময় আমি ওর প্রিয় মানুষ ছিলাম। এখন নিজের প্রিয় মানুষ হওয়ার ট্রেনিং নিচ্ছি।
সব সম্পর্ক সারা জীবনের জন্য আসে না। কিছু আসে শেখানোর জন্য। আমার ক্লাস শেষ।
যে রাস্তায় ও আমাকে একা রেখে গিয়েছিল, সেখান থেকেই আজ হাঁটতে শুরু করলাম।
ব্রেকআপ স্ট্যাটাস
৩৫টিব্রেকআপের পরের দিনের ছোট ছোট গল্প
আজ প্রথম ফোন হাতে নিয়ে ওর নম্বরে না গিয়ে মায়ের নম্বরে গেল আঙুল। বললাম, মা, ভাত রেঁধেছ? মা বলল, আয়। ফিরে আসার জায়গাটা তো সবসময়ই ছিল।
সবাই বলল, সময় লাগবে। সময় নিচ্ছি। প্রথমে নোটিফিকেশনের শব্দে চমকে ওঠা বন্ধ হলো, তারপর ওর পছন্দের রং দেখে থমকে যাওয়া। এখনো সবটা যায়নি, তবে যাচ্ছে।
ওর দেওয়া ঘড়িটা ড্রয়ারে রেখেছি। ফেলিনি, পরিও না। কিছু জিনিস স্মৃতি হয়ে থাকতে পারে, যদি সেটা আর কষ্ট না দেয়।
ফেসবুক মেমোরি আজ পুরোনো একটা ছবি দেখাল। লাইকও দিলাম না, ডিলিটও করলাম না। শুধু মনে রাখলাম, ওই আমিটা খুশি ছিল।
ওকে নিয়ে কোনো খারাপ কথা বলব না, এটা ঠিক করেছি। শেষটা খারাপ হলো বলে মাঝের ভালো সময়গুলো মিথ্যে হয়ে যায় না। ও ভালো থাকুক, আমি দূর থেকে।
প্রথম দুই সপ্তাহ নিজেকে বলতাম, ও ফিরে আসবে। তৃতীয় সপ্তাহে বললাম, ফিরলে কী করব? আজ চতুর্থ সপ্তাহ, প্রশ্নটাই আর করি না।
ব্রেকআপ মানে শুধু একজন মানুষ হারানো না। শুক্রবার বিকেলের প্ল্যান নেই, চায়ের দোকানে বসার সঙ্গী নেই। এই ছোট ছোট ফাঁকগুলোই সবচেয়ে বেশি লাগে।
আজ এমন একটা কাজ করলাম যা গত মাসে পারিনি: ওর পাঠানো পুরোনো ভয়েস মেসেজগুলো ডিলিট করলাম। হাত কাঁপেনি। হয়তো ভেতরে সত্যিই কিছু বদলেছে।
বন্ধুরা বলে, ওকে গালাগাল দে। আমি বলি, কেন? আমরা দুজনেই চেষ্টা করেছিলাম, দুজনেই ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। কাউকে খারাপ বানিয়ে ব্যথা কমে না।
রাতে ঘুম আসছে না। ফোনটা বুকের ওপর রেখে সিলিংয়ে তাকিয়ে আছি। কারও মেসেজ আসার কথা নেই, তবু ওটা সরিয়ে রাখতে পারছি না। অভ্যেস ভাঙতে সময় লাগে।
আমরা ঝগড়া করে আলাদা হইনি। চুপচাপ, বৃষ্টি থেমে যাওয়ার মতো। এই চুপচাপ বিদায়টাই বেশি লাগে, কারণ দোষ দেওয়ার মতো কাউকে খুঁজে পাইনি।
অনেকে জিজ্ঞেস করে, তুমি কি এখনো ওকে ভালোবাসো? আমি বলি, ভালোবাসা শেষ হয়নি, ঠিকানাটা বদলেছে। এখন সেটা নিজের কাছেই ফিরে এসেছে।
পরীক্ষার আগের দিন ও বলেছিল, সম্পর্ক শেষ। আমি পরীক্ষা দিলাম, পাশও করলাম। জীবন এভাবেই চলে, কাঁদতে কাঁদতেও কলম চালাতে হয়।
ভার্সিটির গেটে ওর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। দুজনেই হাসলাম, মাথা নাড়লাম, পাশ কাটালাম। এত বছরের কথার পর একটা ছোট ঘাড় নাড়া। তবু ভেঙে পড়িনি।
ওর নামের সঙ্গে জড়ানো সব গান প্লেলিস্ট থেকে সরিয়েছি। প্লেলিস্টটা ছোট হলো, আমার সময়টা বড় হলো। ভালো লেনদেন।
এখন আর ভাবি না কেন ও চলে গেল। ভাবি, কেন এতদিন নিজেকে এত ছোট করে রেখেছিলাম। প্রশ্নের দিক বদলালে উত্তরও বদলায়।
কেউ একজন গেল বলে জীবন থেমে নেই। বাজারে সবজির দাম বাড়ছে, বাসের ভাড়া বাড়ছে, ডেডলাইন আসছে। জীবন কাঁদার জন্য পুরো ছুটিও দিল না।
একসময় ওর হাসি দেখলে আমার দিনটা ভালো হতো। এখন আয়নায় নিজের হাসি দেখে দিনটা ভালো করার চেষ্টা করি। প্রথম দিনগুলোর চেয়ে একটু একটু পারছি।
যে সম্পর্কে রোজ প্রমাণ করতে হতো আমি যথেষ্ট, সেখান থেকে বেরিয়ে আজ বুঝলাম, আমি যথেষ্টই ছিলাম। শুধু ভুল জায়গায় ছিলাম।
এখনো মাঝে মাঝে ওর জন্য মন খারাপ করি। এটা দুর্বলতা না, এটা প্রমাণ যে আমি ভালোবেসেছিলাম। ভালোবাসার প্রমাণ নিয়ে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই।
ও ফিরে এলে কী বলব, সব ভেবে রেখেছিলাম। এখন ও জানতে চাইলে আর কিছু বলার নেই। এই নীরবতাটাই আমার উত্তর।
রাস্তার ধারের ফুচকার দোকানে দাঁড়িয়ে অভ্যেসে দুই প্লেট বলে ফেললাম। দোকানদার ভাই কিছু বললেন না, এক প্লেট দিলেন। কেউ কেউ না বলেও বোঝে।
বন্ধুর বিয়েতে গিয়ে ওর কথা মনে পড়ল। যেখানে একসঙ্গে যেতাম, সেখানে একা যাওয়ার প্রথম দিন। ভিড়ে মিশে গেলাম, কেউ বুঝল না ভেতরে কী চলছিল।
কিছু ব্রেকআপ কাঁদিয়ে ক্লান্ত করে, কিছু হালকা করে দেয়। আমারটা শুরুতে কাঁদিয়েছে, এখন ধীরে ধীরে হালকা করছে।
নিজের জন্য আজ একটা শার্ট কিনলাম। ওর পছন্দের রঙের না, আমার পছন্দের। ছোট একটা সিদ্ধান্ত, তবু অনেকদিন পর শুধু আমার জন্য নেওয়া।
গল্পটা দুজনের ছিল, তাই শেষটাও আধাআধি দায়িত্বের। আমি আমার ভাগটা নিচ্ছি, শিখছি, বদলাচ্ছি। ওর ভাগটা ও বুঝুক।
ছয় মাস পর আজ আমাদের সেই গানটা শেষ পর্যন্ত শুনলাম। চোখ ভিজল, মনও, তবু পুরোটা শুনলাম। এটা আমার কাছে একটা পরীক্ষা পাসের মতো।
ওর সঙ্গে থাকার সময় যে মানুষটা আমি ছিলাম, তাকেও মাঝে মাঝে মিস করি। একটু বেশি সাহসী, একটু বেশি নরম। ওকে ফেরত আনব, তবে এবার নিজের জন্য।
সবাই বলে, আরেকজন আসবে। আমি বলি, আসুক বা না আসুক, আমি এখন নিজের মতো ঠিক আছি। কারও আসা আমার ভালো থাকার শর্ত হওয়া উচিত না।
ডিপি বদলালাম, নিজের একটা ছবি দিলাম। কমেন্টে অনেকে সুন্দর লিখল। যে একজন সবার আগে লিখত, আজ সে নেই। তবু ছবিটা আমার জন্যই তোলা, ওর জন্য না।
সম্পর্ক ভাঙলে প্রথমে বুক ভারী লাগে, তারপর ঘর ফাঁকা লাগে, তারপর হঠাৎ একদিন নিজের জন্য সময় পাই। ওই তৃতীয় ধাপে এখন আমি।
ওকে মাফ করেছি, ওর জন্য না। রাগ বয়ে বেড়ানোর ভার নিজের কাঁধে আর রাখতে চাইনি। হালকা হাঁটতে পারাটা এখন আমার কাছে বেশি জরুরি।
কাল ওর বিয়ের খবর পেলাম। এক মুহূর্ত হাত থেমে গিয়েছিল। তারপর মনে মনে বললাম, ভালো থাকুক। আজ সকালে চা খেয়ে অফিসে গেছি। জীবন চলে।
একটু একটু করে ওর জায়গাগুলো নিজের করে নিচ্ছি। সেই গলি, সেই চায়ের দোকান, সেই বেঞ্চ। জায়গা তো কারও একার না, শহরটা সবার।
ব্রেকআপের পর যা শিখেছি: যাকে ধরে রাখতে নিজেকে ছাড়তে হয়, সে ধরে রাখার মতো ছিল না। এটুকু শিখে আজ একটু হাসলাম।
ছোট ব্রেকআপ ক্যাপশন
৩০টিস্টোরি আর ডিপির জন্য এক লাইনের ক্যাপশন
ব্লক না, শুধু মিউট করেছি।
ভালো থেকো, দূরে থেকো।
ওর নামে আর ড্রাফট নেই।
গ্যালারিতে পুরোনো, আয়নায় নতুন।
মেসেজটা লিখে মুছে দিলাম।
সিনে থেকেও চুপ ছিলাম।
আনফলো করলাম, শান্তি পেলাম।
ফিরে তাকাব না, কথা দিলাম।
ছেড়ে দিয়েছি, ভুলিনি।
আমি আছি, ও নেই, ঠিক আছে।
গ্যালারি এখন একটু হালকা।
নম্বরটা মুখস্থ, ডায়াল করি না।
আজ ওর নাম মনে পড়েনি।
শেষটা ভদ্র ছিল, এটাই লাভ।
হাত ছেড়েছি, মন শিখছে।
প্রেম গেল, ঘুম ফিরল।
আর কোনো ব্যাখ্যা লাগবে না।
সুন্দর ছিল, শেষ হলো, ব্যস।
পুরোনো গলিতে আর যাই না।
নিজেকে ফিরে পাচ্ছি।
আমাদের গল্প এখন তাকে।
ওর পছন্দের কফি, এখন আমার।
অভ্যেস ভাঙছে ধীরে ধীরে।
আজ একা, তবে ভালো একা।
বিদায় ছিল নিঃশব্দ।
স্টোরিতে আর ওর সিন নেই।
ফেরার রাস্তাটা বন্ধ করলাম।
ওর জন্য নয়, নিজের জন্য ঠিক আছি।
যা গেছে, শিক্ষা হয়ে থাকুক।
ডিপিতে এখন শুধু আমি।
Breakup Caption Bangla
২৫টিবাংলা কথা ইংরেজি হরফে, ফেসবুকে যেভাবে টাইপ করা হয়
Ex er number delete kori ni, shudhu naam ta bodle purono golpo rekhechi.
Block kori ni. Notification ta emon jayga y rekhechi jekhane amar chokh jay na.
Breakup er pore prothom shoptaho e kendechi adha balti, kheyechi ek hari khichuri.
Seen kore rekhe dilo. Ami bujhe gelam, eta shesh er bhodro naam.
Ajke ek din gelo, tomar naam mone porlo na. Raat e porlo, record ta bhenge gelo.
Photo delete korte giye dekhi, nijer hashi ta tomar cheye beshi sundor.
Sobai bole bhule ja. Ami bolchi bhulbo na, shudhu ar kachhe tanbo na.
Purono chat scroll kore hashlam. Eto lomba kotha, ekhon ek line o ashe na.
Bondhu thaki kothata asole bidayer bhodro naam.
Mayer haat er bhat kheye bujhlam, prem furole o sobai furoy na.
Raat tinte tomar profile e gechhilam. Shokale nijer shathe ekta serious alap hoyeche.
Bhalo thakbo, eta amar protigga. Tomar jonno na, amar jonno.
Nijer jonno ekta shirt kinlam. Tomar pochhonder rong e na, amar pochhonder.
Ager moto ar apekkhay boshe thaki na. Ekhon janala diye bairer ta dekhi.
Haat ta chhere diyechhi, mon ta ekhono shikhche.
Age tomar naam e phone tulte haat ta jeto. Ekhon haat thame.
Gallery te tomar chobi gulo ekhon archive e. Delete e noy, kintu dekhio na.
Ajke prothom ekla cafe te gelam. Coffee ta ektu bhalo lagche.
Shesh ta shundor chilo na, kintu shanto chilo. Eta o ekta lav.
Tomake jawar jonno kono obhijog nei, shudhu ar fire takabo na.
Purono golpo ta thak e tule rakhlam. Muchi ni, abar porbo o na.
Je somporke nijeke chhoto korte hoy, shetay amar mapi jayga chilo na.
Ekdin shokale uthe dekhi tomar kotha mone ashe ni. Tarpor chaye chumuk dilam.
Bondhura bole oke gali de. Gali dile kosto komay na, tai chup achi.
Fuchka ta chharini, shudhu oi goli ta ekhon eriye chali.
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ব্রেকআপের পর কী ধরনের ক্যাপশন দেওয়া ভালো?
প্রাক্তনকে ট্যাগ না করে কষ্টের কথা কীভাবে বলব?
ব্রেকআপের পর ডিপি বা স্টোরির জন্য ছোট লাইন আছে?
সাধারণ কষ্টের ক্যাপশন আর ব্রেকআপ ক্যাপশনে তফাত কী?
সম্পর্কিত ক্যাপশন
আরও ক্যাপশন খুঁজছেন? সব ক্যাটাগরি একসাথে দেখুন বাংলা স্ট্যাটাস কালেকশন পাতায়।