কফি না চা? আমি তো এখনো দুধ চায়ের দলে।
৬৭৯০+ ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও শুভেচ্ছা
বাংলা ক্যাপশন ও স্ট্যাটাস
ছবি তোলা হয়ে গেছে, এবার বাকি শুধু একটা ভালো বাংলা ক্যাপশন। দিনটা যেমনই হোক, এখানে তার মতো একটা লাইন পাবেন।
আজকের ক্যাপশন
১০টিঘুরে ঘুরে বদলায়, যেকোনো ছবি বা দিনের জন্য
ফোনের ব্যাটারি বিশ পার্সেন্ট, আমার মেজাজ ঠিক তার উল্টো।
বিকেলের রোদটা ছাদে এসে বসে আছে, আমিও।
ঘরের বাইরে পা রাখলেই কিছু না কিছু গল্প পেয়ে যাই।
আজ নিজের সাথে একটা ডেট, মেন্যুতে শুধু আমার পছন্দ।
ভালো ছবি তোলার জন্য আলো লাগে, ভালো দিনের জন্য মন।
ভোরের আলো কেমন যেন বলছে, আরেকটা সুযোগ দিলাম।
আয়নার সামনে এক মিনিট বেশি দাঁড়ালাম। আজ নিজেকে ভালোই লাগছে।
আজ রাস্তার পাশের ফুচকাওয়ালা আমার বন্ধু।
ঘুম থেকে ওঠাটাই আজ আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।
বাংলা শর্ট ক্যাপশন ও ছোট ক্যাপশন
৪২টিছবির নিচে বসানোর মতো ছোট লাইন
ক্যামেরা রেডি, মুডও।
একটু রোদ, একটু আমি।
এই হাসিটা আজ ফ্রি।
যেখানে আছি, ভালো আছি।
ছবিটা সাধারণ, দিনটা নয়।
মন ভালো, কারণ খুঁজিনি।
পুরো আকাশটা আমার ভাগে।
শহর ঘুমোক, আমি জেগে আছি।
ধীরে চলছি, তবু চলছি।
এক কাপ চা, এক টুকরো শান্তি।
সিন করলেও সমস্যা নেই।
দিনটা ছোট, গল্পটা বড়।
ফিল্টার লাগেনি, রোদই যথেষ্ট।
এটাই আমার সাধারণ অসাধারণ।
মুখে হাসি, ব্যাগে স্ন্যাকস।
আজকের ডিউটি: সুন্দর থাকা।
রোদ ঝলমলে, আমি চলমান।
একটু থামলাম, একটু হাসলাম।
নিজেই নিজের সঙ্গী।
জানালার ওপারে আমার বিকেল।
ভালো থাকাটাই প্ল্যান।
ছুটির মতো একটা মুহূর্ত।
কিছু ছবি কথা বলে না, থাকে।
পথ লম্বা, গানও লম্বা।
ঢিলেঢালা থাকার দিন।
মেঘ জমুক, মুড ঠিক আছে।
ঘরে ফেরার সুখই আলাদা।
চোখে রোদ, মনে ছুটি।
ঠিক এই মুহূর্তটাই চাইছিলাম।
হাওয়ায় উড়ছে চুল, আর চিন্তা।
এক ফ্রেমে পুরো দিনটা।
ভিড়ের মাঝেও নিজের জায়গা।
লেট হলেও খুশি।
সকালটা ভালোই শুরু হলো।
পা চলছে, মন উড়ছে।
আমার গল্পে আজ হালকা মেঘ।
কাল ভাবব, আজ বাঁচি।
হাতে সময়, মনে গান।
নীল আকাশ, নীল শার্ট, নীল মুড।
এই বিকেলটা ফেরত চাই না, রেখে দিই।
যেমন আছি তেমনই দারুণ।
আলো পড়েছে ঠিক জায়গায়।
ফেসবুক ক্যাপশন ও স্ট্যাটাস
৪৪টিদুই-চার বাক্যের স্ট্যাটাস, টাইমলাইনের জন্য
বাসায় ফিরলে মা দরজা খুলে আগে আমার মুখটা দেখে, তারপর জিজ্ঞেস করে, চা খাবি? ওই এক নজরেই মা সব বুঝে ফেলে, আমাকে কিছু বলতে হয় না।
শীতের সকালে লেপের তলা থেকে বেরোনোর সিদ্ধান্তটা নিতে আমার দশ মিনিট লাগে। বেরিয়ে প্রথম চুমুক চায়ে দিলে মনে হয়, ঠিক কাজটাই করেছি।
ফেসবুক খুললেই দেখি সবাই কোথাও না কোথাও বেড়াচ্ছে। আমি তখন বিছানায় শুয়ে ভাবছি, বেড়ানোর বাজেট বাসের ভাড়ার চেয়ে বেশি হলো কবে।
সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন আজকাল একটাই: আজ কী রান্না হবে? পরীক্ষার প্রশ্নও এত ভাবায়নি।
অনেকদিন পর পুরনো বন্ধুর সাথে দেখা হলো। দুজনেই বললাম, ফোন দিস। দুজনেই জানি, দেব না। তবু বলতে ভালো লাগে।
চাকরির ইন্টারভিউয়ে ওরা জিজ্ঞেস করল, পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখো? আমি ভাবছিলাম, আগে তো এই মাসের ভাড়াটা দিই।
রাতের বাসায় ফেরার পথে রিকশাওয়ালা মামা গুনগুন করে গান গাইছিলেন। ক্লান্ত দিনের শেষে ওই সুরটাই আমার সবচেয়ে ভালো ঘুমপাড়ানি হয়ে গেল।
পড়াশোনার সময় ফোন সাইলেন্টে রাখি। আর ফোন সাইলেন্টে থাকলেই মনে হয় সবাই আমাকে ফোন করছে।
পরিবারে সবাই একসাথে বসে খাওয়ার দিনগুলো কমে যাচ্ছে। যেদিন সবাই থাকে, সেদিন সাধারণ ডালভাতও উৎসব হয়ে যায়।
গ্রুপ চ্যাটে একজন ভুল করে ব্যক্তিগত কথা পাঠিয়ে ফেলল। আমরা সবাই ঠিক করলাম, কিছু দেখিনি। এটাই বন্ধুত্ব।
ছোটবেলায় ভাবতাম বড় হলে নিজের ইচ্ছেমতো চলব। বড় হয়ে দেখি, ইচ্ছেমতো চলার জন্যও আগে অনুমতি নিতে হয়, সময়ের কাছ থেকে।
লোডশেডিংয়ে অন্ধকার ঘরে পুরো পরিবার ছাদে উঠে বসেছিলাম। আলো আসার পরও কেউ নামতে চাইল না।
আমাদের বাসায় একটাই চার্জার আছে। ওটার জন্য যে কূটনীতি চলে, তা জাতিসংঘেও দেখা যায় না।
ভার্সিটির ক্যান্টিনের চা কখনো ভালো ছিল না। তবু ওই চায়ের স্বাদ আজও খুঁজে বেড়াই।
কেউ যখন বলে, সময় নেই, তখন আসলে তার কাছে আমি অগ্রাধিকার নই। এটা বুঝে নিতে বেশ সময় লেগেছে, কিন্তু এখন আর খারাপ লাগে না।
সকালে অ্যালার্ম বাজলে মনে মনে বলি, আর পাঁচ মিনিট। এই পাঁচ মিনিটের হিসাব করলে আমার জীবনের এক বছর হয়তো ঘুমেই গেছে।
বাবা কখনো মুখে বলেননি, তবে আমার পরীক্ষার দিন তিনি অফিস থেকে আগে ফিরেছিলেন। ভালোবাসা সব সময় কথায় আসে না।
নিজের কাজের প্রশংসা নিজেই করতে শিখেছি। কারণ অন্যের হাততালির জন্য অপেক্ষা করলে অনেক সুন্দর কাজ আর হয়েই ওঠে না।
ইনবক্সে সিন করে রেখে দেওয়ার একটা আলাদা শিল্প আছে। যারা এটা করে, তারা জানে না, কেউ কেউ ওই সিনটুকু দেখেই উত্তরটা বুঝে ফেলে।
মেসের জীবনে শেখা সবচেয়ে বড় বিদ্যা: কার ডাল কখন ফুরোয় সেটা আগে থেকে আন্দাজ করা।
আজ অফিসে দেরিতে পৌঁছালাম, কারণ আমার বাসটা আজ জীবনের মতোই সিদ্ধান্তহীন ছিল। কখনো থামে, কখনো দাঁড়ায়, কখনো আবার ফিরেও যায়।
যারা মাঝরাতে ফোন করে বলে, কিছু না, এমনি করলাম, তাদের কিছু একটা অবশ্যই হয়েছে। তাদের পাশে থাকাই আসল কাজ।
ঈদের আগের রাতে ঘুম আসে না, ছোটবেলাতেও আসত না। শুধু কারণটা বদলেছে: তখন নতুন জামা, এখন নতুন দায়িত্ব।
আমার ফোনের গ্যালারিতে এক হাজার ছবি আছে, তার মধ্যে নয়শো খাবারের। এটাই আমার সবচেয়ে সৎ আত্মজীবনী।
জীবনে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একদিন ঘুমিয়ে নিই। সকালে উঠে দেখি, অর্ধেক সমস্যা আর সমস্যা নেই।
যে মানুষটা আপনার কঠিন সময়ে চুপচাপ পাশে বসে ছিল, তাকে একবার ধন্যবাদ বলুন। কথাটা বলা হয়নি বলে কত সম্পর্ক ফিকে হয়ে যায়।
টিউশনির টাকায় প্রথমবার মায়ের জন্য শাড়ি কিনেছিলাম। মা পরেননি, আলমারিতে তুলে রেখেছিলেন। বলেছিলেন, ছেলের প্রথম আয়, এটা আমার কাছে থাক।
আজকাল সবাই ভালো আছি বলে। আসলে কেমন আছি জানতে চাইলে একটু বেশি সময় নিয়ে প্রশ্নটা করতে হয়।
প্রথম বেতনের দিন মনে হয়েছিল ধনী হয়ে গেছি। মাসের দশ তারিখে বুঝলাম, ওটা ছিল নিছক একটা অনুভূতি।
রাস্তা পার হতে গিয়ে একজন অচেনা মানুষ হাত ধরে সাহায্য করল। এই ছোট ঘটনাগুলোই আমাকে আবার মানুষের ওপর ভরসা দেয়।
পুরনো স্কুলের সামনে দিয়ে গেলাম। গেটের পাশের বাদামওয়ালা এখনো আছেন, শুধু চুলগুলো সাদা হয়েছে, আমার মতোই।
ভালো থাকা মানে সব ঠিক থাকা নয়। ভালো থাকা মানে সব এলোমেলোর মধ্যেও একটা চায়ের কাপ হাতে নিয়ে হাসতে পারা।
পরীক্ষার আগের রাতে সিলেবাস দেখে মনে হয়, আমি এতদিন কী করছিলাম? পরদিন সকালে নিজেই উত্তর দিই: ঘুমাচ্ছিলাম।
বন্ধুর বিয়েতে গিয়ে বুঝলাম, আমরা আসলে সবাই বড় হয়ে গেছি। অথচ খাবারের লাইনে দাঁড়ানোর সময় সেই আগের মতোই ঠেলাঠেলি।
আমার জীবনে তিনটা জিনিস সব সময় দেরিতে আসে: বাস, উত্তর আর ঘুম। চতুর্থটা হলো বেতন, কিন্তু সেটা নিয়ে আজ আর কিছু বলব না।
নানুবাড়ির উঠোনে বসে আম খাওয়ার দিনগুলো ফেরত আসে না। তবু মনের কোণে ওই আমগাছটা এখনো পাতা ঝরায়, ফল দেয়।
নিজের মতো করে বাঁচতে গেলে সবাইকে খুশি করা যায় না। এই কথাটা মেনে নিতে আমার তেইশ বছর লেগেছে।
ছোট ভাইটা আজ প্রথমবার আমাকে নিজে থেকে এক কাপ চা বানিয়ে দিল। বড় হয়ে গেছে, অথচ এখনো মনে হয় এই তো সেদিন কোলে নিতাম।
রাত তিনটায় ঘুম ভেঙে গেলে মনে হয় পৃথিবীতে শুধু আমি জেগে আছি। তারপর ফোন দেখি, আরও দুইশো জন অনলাইনে।
মানুষ বদলায় না, অভ্যাসগুলো বদলায়। যে অভ্যাসটা আজ আপনার পছন্দ নয়, সেটা আজই ছেড়ে দিন।
বাজারে গিয়ে সবজিওয়ালার সাথে দর কষাকষি করে পাঁচ টাকা বাঁচালাম। ফেরার পথে রিকশায় সেই পাঁচ টাকা বেশি দিয়ে দিলাম। হিসাবটা ঠিক মেলে না।
সবার জীবনেই এমন একজন থাকে, যার সাথে দেখা না হলেও সম্পর্কটা একটুও ম্লান হয় না। আমার সেই মানুষটাকে আজ হঠাৎ মনে পড়ল।
আজ সকালে উঠে দেখি আকাশ পরিষ্কার, চারদিক নীরব। মনে হলো, শহরটা আজ আমার জন্য একটু থেমে আছে।
যে লোকটা প্রতিদিন গেটের সামনে বসে থাকে, তার নাম জানতে আমার তিন বছর লেগেছে। এখন সে আমাকে দেখলেই হেসে সালাম দেয়।
FB Status & Facebook Caption Bangla
৩৮টিবাংলা কথা ইংরেজি হরফে, যেভাবে ফেসবুকে লেখা হয়
Ajke mon bhalo, karon ta jante chaiben na.
Cha ta thanda hoye gelo, kintu golpo ta ekhono gorom.
Ami ekta ashabadi manush, tai ajo bhabi bus ta time moto ashbe.
Ekto roud, ekto cha, ar kichu na.
Jibon e onek kichu plan kora jay, shudhu mon ta chara.
Kal theke porashona, eta ami gotokal o bolechilam.
Bikeler akash ta ajke onek shundor, photo tulte bhule gechi.
Ma bolechilo ghumiye pori, ami ekhono scroll korchi.
Shobai bolche bhalo thako, ami bolchi age khabar ta ashuk.
Notun ekta din, notun ekta chance, ar purano ekta cha.
Mon kharap hole ami haat dhore hete boro hoye jai.
Amar hasi ta free, tobe photo tulte hole permission lagbe.
Rastay jam, mone gaan. Ei duita mile ajker bikel.
Bondhu mane jar sathe chup kore boshe thakleo bhalo lage.
Ajke kono tension nai, shudhu ekta boro cup cha.
Ghor theke ber hote iccha kore na, kintu ber hole fire ashte iccha kore na.
Shohor ta ajke ektu dhire cholche, ami o.
Ei photo ta shundor na, kintu ei din ta shundor chilo.
Onek kotha bola holo na, tai ekta chhoto status dilam.
Brishti ashle jani na keno, purano gaan gulo mone pore.
Nijer jonno ektu somoy ber korechi, aj sheta hobe amar gift.
Hasi ta ashol, filter ta shudhu shokher.
Amar protidiner golpo: ghum, khabar, phone, abar ghum.
Shobar kache shundor hote hobe na, nijer kache thik thakle hoy.
Chhotobelar shei bikel gulo ekhon shudhu smritite pawa jay.
Bhalo thakar ekta shohoj upay: kom expect kora.
Ajke ami late, kintu mood on time.
Pothe hete jete jete bhabi, ei shohor ta amar ki hoy?
Raat ta boro shundor, ghum ta tar theke beshi.
Jodi ekta din ferot pete pari, ami shei bikel ta chai.
Ami ekhono ei shohor ke chinte shikhchi, shohor o amake.
Bhalo kotha mone rakhi, kharap kotha cha er shathe gile phele dei.
Ajker photo ta shundor, karon tumi pashe chile.
Ekta gaan, ekta jannala, ekta bikel. Ar kichu chai na.
Boro hoye gechi, tai ekhon bristite bhijte hole ma ke lukiye bhijte hoy.
Dosto der shathe adda hole somoy ta amar kache hariye jay.
Ami thik achi, bolbo na. Tomra bujhe nao.
Eto bhabar kichu nai, cha kheye bhabo.
ফেসবুক প্রোফাইল পিক ক্যাপশন
৩০টিনতুন প্রোফাইল পিক বা ডিপি দেওয়ার দিনের জন্য
নতুন ডিপি, পুরনো আমি, একই হাসি।
এই ছবিটা তুলতে বারোটা চেষ্টা লেগেছে, তেরোতম টা এটাই।
ডিপি বদলালাম, এবার লাইক গুনতে বসি।
আমাকে চিনতে না পারলে আস্তে আস্তে চিনে নিন।
যে ছবিটা আমার মতো দেখতে নয়, সেটা আমার ডিপি হবে না।
আজ একটু সেজেছি, কারণ মন চেয়েছে।
ডিপি সুন্দর হলে লোকে ভাবে আমি রোজ এমনই থাকি। ভাবুক।
পোজ দিতে গিয়ে ঘাড় ব্যথা হয়েছে, দেখে লাইক দিন।
আমি যেমন, ছবিটাও তেমন: একটু এলোমেলো, একটু আন্তরিক।
লুক নতুন, উদ্যম নতুন, ওজনের খবর নেই।
সবাই ফিল্টার লাগায়, আমি রোদ লাগিয়েছি।
আয়নায় নিজেকে পছন্দ হলে ডিপিতে দিয়ে দিই।
এই ছবির পেছনের গল্পটা জানতে ইনবক্সে আসুন।
ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নয়, ক্যামেরার ওপারের মানুষটার দিকে হাসলাম।
প্রোফাইল পিক একটাই, আত্মবিশ্বাস অনেক।
এই ছবিতে আমি হাসছি, কারণ কেউ পেছন থেকে মজার কিছু বলেছিল।
সেলফি তুলতে তুলতে আমি হাতের ব্যায়ামে পারদর্শী হয়ে গেছি।
নতুন ছবি দিয়ে পুরনো সংশয়গুলো সরিয়ে ফেললাম।
আমার ডিপিতে কোনো গল্প নেই, আছে শুধু একটা ভালো দিন।
আজকের ছবি: ঘুমকাতুর আমি, কিন্তু আলোটা দারুণ।
প্রোফাইল পিকের মান নির্ভর করে ছবিতে নয়, আলোতে।
একটু অন্যরকম লাগছে? কারণ আজ আমি নিজের মতো আছি।
আমি আজ আমার ফ্যান। কেউ যোগ দিতে পারেন।
আগের ছবিটা ক্লান্ত ছিল, এটা বেড়াতে গিয়েছিল।
মুখের হাসিটা আসল, পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ডটা একটু ধার করা।
ডিপি বদলানোর আগে অন্তত তিনজন বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছি। সবাই বলল, ভালো। তাই রাখলাম।
আমি আয়না নই, তবু আমার ছবি আপনাকে হাসাতে পারে।
দেখতে সাধারণ, তবে ছবিটা তোলার সময় মনটা অসাধারণ ছিল।
চোখ দুটো আজ কথা বলছে, ঠোঁট বিশ্রামে।
ছবি নতুন, আমি সেই পুরনোই, বিন্দুমাত্র বদলাইনি।
স্টাইলিশ ও ইউনিক ক্যাপশন
৩০টিএকটু অন্যরকম, মোচড় দেওয়া লাইন
আমি গল্পের নায়ক নই, আমি সেই চরিত্র যাকে পাঠক মনে রাখে।
শব্দ কম, অর্থ বেশি। আমার পছন্দের হিসাব।
ভিড়ে মিশে যাওয়ার চেয়ে ভিড়ের পাশে একা দাঁড়ানো ভালো।
সাদামাটা দিনগুলোর ভেতরেও একটা রঙিন সুতো লুকিয়ে থাকে।
চাঁদ আর আমি, দুজনেই রাতজাগা, দুজনেই নির্বাক।
কফির ফেনায় আজ নিজের মুখ দেখলাম, বেশ হাসিখুশি।
যা পাইনি তা নিয়ে কবিতা লেখা যায়, যা পেয়েছি তা নিয়ে থেমে থাকা যায়।
আমার নীরবতাও একটা ভাষা, কেউ কেউ বোঝে।
সময় একটা রিকশাওয়ালা, যাকে থামাতে চাইলেই থামে না।
জীবন একটা অসমাপ্ত খাতা, আমি তার মার্জিনে ছবি আঁকি।
রঙ সবাই দেখে, আলো দেখে কজন?
বইয়ের মতো আমি: প্রথম পাতা সুন্দর, শেষ পাতা অজানা।
ছায়াকে জিজ্ঞেস করো, রোদ কতটা সত্যি।
হাওয়ার সাথে পাল্লা দিয়ে আমার মন ছুটছে, হার মানব না।
সবাই গন্তব্য খোঁজে, আমি পথের পাশের চায়ের দোকানটা।
আমি আয়নার ওপাশের মানুষ, যার হাসি এপাশের চেয়ে বেশি।
মেঘ যেমন ঠিকানা ছাড়াই ভেসে যায়, আমিও কখনো কখনো।
এমন কিছু করো, যাতে আয়নাও গর্ব করে।
অগোছালো ঘরের জানালায় সবচেয়ে গোছানো আকাশটা দেখি।
আমি সেই সুর, যা গান শেষ হওয়ার পরও কানে বাজে।
পথ হারিয়ে যাওয়ার মধ্যেও একটা ধরনের স্বাধীনতা আছে।
সূর্যাস্ত প্রতিদিন আসে, তবু কেউ বিরক্ত হয় না। আমি তেমনই হতে চাই।
আমার ভেতরের শহরে কখনো রাত নামে না, শুধু বাতি বদলায়।
বর্ণমালার মতো আমি, চেনা অক্ষর দিয়ে অচেনা গল্প বলি।
যে আকাশ ছোঁয়া যায় না, তাকেই বেশি ভালোবাসি।
আলগোছে বেঁচে থাকা এক ধরনের শিল্প।
একটা ভালো নীরবতা দশটা খারাপ কথার চেয়ে দামি।
নদী বাঁক নেয় বলেই সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছায়।
আমার অহংকার খুব ছোট: নিজের পায়ে হেঁটে চলা।
ক্যামেরা ফোকাস করুক, আমি তো আগেই নিজের ফোকাসে।
নতুন ক্যাপশন ২০২৬
৩৪টিএখনকার দিনের অভ্যাস নিয়ে নতুন ধাঁচের লাইন
রিলসে তিরিশ সেকেন্ডের জীবন দেখে নিজের আটাশ বছরকে সান্ত্বনা দিচ্ছি।
মেট্রোর কার্ড রিচার্জ করার সময়ই বুঝলাম, শহরটা সত্যিই এগিয়ে গেছে।
ডেলিভারি বয় ভাইয়ের অপেক্ষায় আমি বারান্দায়, যেন প্রেমিকের।
গ্রুপ চ্যাটে চল্লিশটা মেসেজ, কিন্তু কাজের কথা মাত্র একটা।
অনলাইন ক্লাসের মাইক বন্ধ রেখে হাসিমুখে ঘুমানোর দিন গেছে, এখন অফিসে মিটিং।
স্টোরিতে সবাই সুখী, আমি স্ক্রল করতে করতে ক্লান্ত।
বিকাশে টাকা পাঠিয়ে বলি, এবার ট্রিট দিস। ট্রিট আর আসে না।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রথম অর্ডারটা এলে রাতে ঘুম হয়নি, খুশিতে।
ফুডপান্ডার নোটিফিকেশনে আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ধরা পড়ে।
ওয়াইফাই যেদিন চলে যায়, সেদিন নিজের ঘরটাকেও নতুন লাগে।
ভয়েস মেসেজ পাঠানো বাঁচিয়ে দেয় টাইপ করার কষ্ট, মানুষ হয়েছে অলস।
মেট্রোতে দাঁড়িয়ে জানালা দিয়ে নিচের জ্যামটা দেখতে মজা লাগে।
ডার্ক মোড চালু করে ভাবি, চোখকে দয়া করছি। আসলে ফোনকে।
এখন মানুষ নাম মনে রাখে না, ইউজারনেম মনে রাখে।
ইউটিউব দেখে রান্না শিখেছি, তবে স্বাদ এখনো সাবটাইটেল ছাড়া।
অনলাইনে অর্ডার করা শার্ট এসে প্রমাণ করল, ছবি আর বাস্তব আলাদা।
চার্জার ভুলে এলে আজকাল বুঝি, আমি আসলে কতটা ফোনের ওপর বাঁচি।
এই প্রজন্ম আড্ডা দেয় কমেন্ট সেকশনে, চা খায় ঘরে একা।
নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করার আগেই ভাবি, আবার একটা পাসওয়ার্ড ভুলব।
পাঁচশো টাকার নোট ভাঙাতে গিয়ে বুঝলাম, নগদ টাকার যুগ প্রায় শেষ।
ভাইরাল হওয়ার চেয়ে আমি বরং আজ দিনের কাজটা শেষ করতে চাই।
এক ক্লিকে কেনাকাটা সহজ, এক ক্লিকে ব্যালেন্স শূন্য হওয়াও।
ঈদের শুভেচ্ছা আজকাল ফরোয়ার্ড করা মেসেজে আসে, মন থেকে আসা কমে গেছে।
পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে হলে এখন সাইটে ঢুকতে হয়, সেটাও লোড নেয় না।
রাত দুইটায় জ্ঞান বিতরণ করা স্ট্যাটাস ছাড়া ফেসবুক চলে না।
এআই আমার হোমওয়ার্ক করে দিল, কিন্তু প্রেমের চিঠিটা নিজেই লিখলাম।
রিকশার ভাড়া এখন অ্যাপে ঠিক হয়, দরাদরির মজাটা অ্যাপ বোঝে না।
সবার হাতে স্মার্টফোন, তবু বিকেলে মাঠে একটা ক্রিকেট খেলার মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
ব্যাটারি দশ পার্সেন্টে নামলে ফোনের চেয়ে বেশি আমি কাঁপি।
নতুন সিরিজ শুরু করার আগে ভাবি, কাল অফিস আছে। তারপর দেখি ভোর চারটা।
বাসায় ইন্টারনেট ভালো, কিন্তু ঘুরে আসার পর বুঝি আসল সংযোগ বাইরে।
অনলাইনে পরিচয় হয়েছিল, এখন রোজ দেখা হয়। সময়ের কী মজার খেলা।
লাইভে আসা বন্ধুর পেছনে মা বলছেন, ভাত খেয়ে যা। লাইভ আর কেউ ভুলবে না।
ঘরে বসেই কাজ, ঘরে বসেই ছুটি, শুধু ঘরটা আর ঘর নেই, অফিস।